রবি ও খরিপ মৌসম এর মধ্যে পার্থক্য কি

প্রিয় পাঠক আসসালামু আলাইকুম আজকের এই টিউটোরিয়ালে রবি ও খরিপ মৌসম এর মধ্যে পার্থক্য কি এই সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হবে। আপনি যদি না জেনে থাকেন রবি ও খরিপ মৌসম এর মধ্যে পার্থক্য কি তাহলে এই টিউটোরিয়াল টি আপনার জন্য। যা থেকে আপনি জানতে পারবেন রবি ও খরিপ মৌসম এর মধ্যে পার্থক্য কি চলুন জেনে নেয়া যাক রবি ও খরিপ মৌসম এর মধ্যে পার্থক্য কি।

আমাদের বিশ্ব, সাধারন প্রশ্ন উত্তর, নতুন বিশ্ব, অজানা তথ্য, আজকের বিশ্ব, সাধারন জ্ঞান, জেনারেল নলেজ, কুইজ, ধাঁধা, এমসিকিউ, আইকিউ, বিসিএস প্রিলিমিনারি,

রবি ও খরিপ মৌসম এর মধ্যে পার্থক্য কি

আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে  রবি মৌসুম বলে।পক্ষান্তরে চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। রবি মৌসুমের প্রথম  দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয় তবে তা কম।পক্ষান্তরে খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসে পর্যন্ত  প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। রবি মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আদ্রতা  কম থাকে। পক্ষান্তরে খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আদ্রতা বেশি থাকে।


রবি ফসল সাধারণত অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে বপন করা হয়।বিপরীতে খরিপ ফসলের বপনের সময় জুন ও জুলাই মাস। রবি ফসল কাটার সেরা সময় মার্চ এবং এপ্রিল মাসে।পক্ষান্তরে খরিপ ফসলের ফলন সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে হয়।

রবি মৌসুম

রবিশস্য, রবি ফসল, চৈতালি ফসল ও রবিখন্দ শীতকালে রোপিত কৃষিজাত ফসল। চাষাবাদকৃত এ ফসল পরবর্তীতে গ্রীষ্মকালে উত্তোলন করা হয়। এ পরিভাষাটি আরবি শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ বসন্ত। রবিশস্য পরিভাষাটি ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। এটি বসন্তকালীন ফসল হলেও  ভারতীয় উপমহাদেশে প্রধানত শীতকালীন ফসলরূপে আখ্যায়িত। হেমন্তকালে বীজ বুনে যে ফসল কৃষক বসন্তকালে ঘরে তোলে তা ই রবিশস্য।আরবি ভাষায় রবী শব্দের অর্থ বসন্ত । মধ্য নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রবি মৌসুমের মেয়াদকাল। শীতকালীন ফসলের জন্যে বর্ষাকালে সঞ্চিত পানি প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিকল্প ব্যবস্থায় জমিতে সেচ প্রয়োগ করা হয়। গভীর কিংবা অগভীর নলকূপ, খাল বিল, নদী-নালার পানি রবিশস্যের জন্য প্রয়োজন । খারিফ ফসলের জন্যে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত প্রয়োজন হলেও তা রবিশস্যের জন্যেও ব্যাপক গুরুত্ব বহন করে। মৌসুমী বৃষ্টিপাতের পরপরই রবি ফসল উত্তোলন করা হয়। এপ্রিল মে মাসেই সাধারণত  কৃষক রবিশস্য গুদামজাত করে থাকে। গম , মসুর ডাল , যব, পেঁয়াজ, মটরশুটি ইত্যাদি ফসলকে প্রধান রবিশস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জানুয়ারি থেকে মার্চ  মাসে উপমহাদেশের বাজারগুলো সবুজ ফসলে ভরে যায়। তন্মধ্যে ভরা মৌসুম  হিসেবে ফেব্রুয়ারিকে ধরা হয়ে থাকে।

খরিপ মৌসুম

চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস  পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। রবি মৌসুমের প্রথম দিকে  কিছু বৃষ্টিপাত হয় তবে তা কম। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ়  থেকে ভাদ্র মাসে পর্যন্ত প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। রবি মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আদ্রতা কম থাকে। খরিপ ১ মৌসুম শুরু হয় মার্চের ১৬ তারিখ থেকে। এ মৌসুমের অন্যতম সবজি বেগুন , মূলা, মিষ্টি কুমড়া , চাল কুমড়া, চিচিঙা, পটল, করলা, ঝিঙা, বরবটি, ঢেঁড়স, সজনে ও লালশাক। জেলার সবজিখ্যাত উপজেলাগুলোতে বেশ আগে থেকেই আগামভাবে  সীমিত আকারে এ মৌসুমের অনেক সবজি চাষ করা শুরু করেন চাষিরা। 







Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url