বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান

প্রিয় পাঠক আজকের এই টিউটোরিয়ালে বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে আপনি যদি বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান অর্জন করতে চান তাহলে এই টিউটোরিয়াল টি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে, কারন আমরা আজকে এই টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সম্পর্কিত যত ধরনের প্রশ্ন এবং অজানা তথ্য আছে কার সবকিছু আজকে রিভিউ করবো।

বিদ্যুৎ, হচ্ছে ইলেকট্রিক্যাল শক্তির অন্যতম একটি নাম, এটি আধুনিক সভ্যতার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎস, বিদুৎ ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন উদ্যোগে, যেমন শিক্ষা, পরিবহন, বাস্তুসংযোগ, শিল্প, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে। বিদ্যুৎ এর ইতিহাস প্রায় দু-শত বছরের পুরোনো যায়। ইলেকট্রিসিটির প্রথম প্রযুক্তি হিসেবে আলফ্রেড নোবেল এবং থোমাস এডিসনের অবদান অবিস্মরণীয়।

বিদ্যুৎ সম্পর্কে আমরা আদ্যত্তমে চিন্তা করি যখন প্রশ্ন উঠে আসে ঘরের বিদ্যুৎ সরঞ্জামে। বাসাভিটারের বিদ্যুৎ সরঞ্জাম অন্তত দুইটি উপায়ে আসে - প্রধান লাইন অথবা বৈদ্যুতিক সেল। প্রধান লাইন সরঞ্জামে প্রধান বিদ্যুৎ সরঞ্জাম আসে গৃহস্থলীর সম্মুখের মুখ্য বিদ্যুৎ সরঞ্জাম থেকে, যেমন প্রধান বোর্ড, মিটার বোর্ড এবং সার্কিট ব্রেকার। এই সরঞ্জাম বাসার মুখ্য বিদ্যুৎ সোর্সের সাথে সংযোগযোগ্য থাকে। বৈদ্যুতিক সেল মুখ্যত সক্ষম হতে ব্যবহার হয় যখন একটি বাসা বা অন্য যেকোন স্থানে আলাদা বিদ্যুৎ চাহিদা থাকে।

একাধিক উদ্যোক্তারা বিদ্যুৎ পরিবহনের প্রযুক্তিতে নির্দিষ্ট রীতিতে অবদান রাখেন। যন্ত্রপাতি বৈদ্যুতিক শক্তির মাধ্যমে চালিত হতে পারে, যেমন বাস, ট্রেন এবং উড়ান যান। এছাড়াও, বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট তৈরি ও ব্যবহারে, যেমন কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।

বিদ্যুৎ সম্পর্কে সম্প্রতি গোলটা উত্থাপন হয়েছিল জীবনে বৃহত্তর উন্নতি এবং সমৃদ্ধির জন্য। প্রযুক্তিগত বিপদ এবং বায়ু দূষণের সমস্যার সমাধানে এটি একটি মানুষের স্বপ্ন নিয়েছে। এটি পরিবেশের সংরক্ষণ এবং পৃথিবীর জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রযুক্তি হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।

সংক্ষেপে, বিদ্যুৎ একটি প্রায় অপরিসীম শক্তি, যা সভ্যতার বিকাশ ও সুস্থ উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেক উদ্যোক্তাদের জীবন ও কাজের সুবিধা এবং পরিস্থিতি সংরক্ষণে প্রযুক্তিতে অবদান রাখে। এটি পরিবেশ ও মানবজীবনের উন্নতির জন্য প্রশংসিত এবং গৌরবময় একটি উৎস।





আমাদের বিশ্ব, সাধারন প্রশ্ন উত্তর, নতুন বিশ্ব, অজানা তথ্য, আজকের বিশ্ব, সাধারন জ্ঞান, জেনারেল নলেজ, কুইজ, ধাঁধা, এমসিকিউ, আইকিউ, বিসিএস প্রিলিমিনারি,


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের একমাত্র পরমাণু শক্তি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের নাম কী?

উত্তরঃ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তরঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নাম কী? 

উত্তরঃ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ।


প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী?

উত্তরঃ সামিট পাওয়ার কোং লিঃ 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম গ্যাস চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি? 

উত্তরঃ হরিপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বৃহত্তর বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি? 

উত্তরঃ মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র । 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বিদ্যুৎশক্তির উৎস কী? 

উত্তরঃ খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, পানি ও কয়লা। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম কী?

 উত্তরঃ কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 


প্রশ্নঃ কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত? 

উত্তরঃ ২৩০ মেগাওয়াট। 


প্রশ্নঃ বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কারখানার নাম কী? 

উত্তরঃ উইন্ডমিল ।


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করা হয়? 

উত্তরঃ ফেনীর সোনাগাজীতে। 


প্রশ্নঃ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? 

উত্তরঃ ১৯৯৯ সালের ১০ জুন। 


প্রশ্নঃ REB-এর পূর্ণরূপ কী? 

উত্তরঃ Rural Electrification Board. 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত? 

উত্তরঃ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায়, সিলেটের শাহজিবাজারে, খুলনার গোয়ালপাড়ায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে, নরসিংদীর ঘোড়াশালে, নারায়ণগঞ্জে এবং চট্টগ্রামের সিকলবাহায় অবস্থিত। 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র 

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি এবং এটি কোথায় অবস্থিত।

উত্তরঃ কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

কোথায় অবস্থিত? 

উত্তরঃ কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি)। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কবে স্থাপিত হয়?

 উত্তরঃ ১৯৬২ সালে 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের বর্তমান ক্ষমতা কত?

উত্তরঃ ১২০ মেগাওয়াট। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কবে স্থাপিত হয়? 

উত্তরঃ ১৯৭৭ সালে। 


প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কত ভোল্টের ট্রান্সমিশন লাইন রয়েছে? 

উত্তরঃ ২,৩০,০০০ ভোল্টের। 


প্রশ্নঃ BAEC-এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তরঃ Bangladesh Atomic Energy Commission।



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url